১৯৯৬ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৭ই মার্চ, ১৯৯৬ তারিখে, পাকিস্তানের লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। এই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কা।
টসে জিতে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মার্ক টেলর প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন।
📈 Promote your Business
🕒 1st Month FREE + Lifetime Plan Available!
তবে শ্রীলঙ্কার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। মার্ক টেলর ৭৪ রানের একটি লড়াকু ইনিংস খেললেও, অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা তেমন বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪১ রান তোলে। শ্রীলঙ্কার পক্ষে অরবিন্দ ডি সিলভা ৩টি এবং সনাথ জয়াসুরিয়া ও কুমার ধর্মসেনা ১টি করে উইকেট নেন।
অস্ট্রেলিয়া স্কোর বোর্ড: ২৪১ রান/৭ উইকেট/৫০ ওভার
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটা ঝড়ো হয়। সনাথ জয়াসুরিয়া এবং রমেশ কালুবিতরাণা ওপেনিং জুটিতে মাত্র ৬.৫ ওভারে ২৩ রান তোলেন। যদিও এই জুটি দ্রুত ভেঙে যায়, তবে এরপর অরবিন্দ ডি সিলভা এবং অশঙ্কা গুরুসিনহা একটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তোলেন। গুরুসিনহা ৬৫ রান করে আউট হলেও, অরবিন্দ ডি সিলভা অসাধারণ ব্যাটিং করে অপরাজিত ১০৭* রান করেন। অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা অপরাজিত ৪৭* রানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। শ্রীলঙ্কা ৪৬.২ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪৫ রান তুলে ৭ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে
শ্রীলঙ্কার স্কোর বোর্ড: ২৪৫ রান/৩ উইকেট/৪৬ ওভার
শ্রীলঙ্কার (২২ বল ৭ উইকেটে জয়লাভ করে)।
অরবিন্দ ডি সিলভা তার অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য (১০৭* রান এবং ৩ উইকেট) ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।
শ্রীলঙ্কা (২২ বল ৭ উইকেটে জয়লাভ করে।
এই জয় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে এবং বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের একটি শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। অরবিন্দ ডি সিলভার অনবদ্য ব্যাটিং এবং বোলিং আজও ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন হয়ে আছে।
Your comment will appear immediately after submission.