যুক্তরাষ্ট্র কি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে?

प्रकाशित: द्वारा Taibur Rahman
✅ Expert-Approved Content

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র কী ভূমিকা নেবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে যেমন সমঝোতার কথা বলছে, অন্যদিকে তেমনি যুদ্ধের ইঙ্গিতও দিচ্ছে।

প্রকাশ্যে ট্রাম্প প্রশাসন সমঝোতার কথা বললেও, ইসরায়েলের ইরান হামলার পর তাঁর সুর পাল্টেছে। প্রথমে তিনি ইরানকে চুক্তি করার জন্য ৬০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার কথা বলেন, যা শেষ হয়েছে। পরে তিনি জোর দেন যে ইসরায়েল ও ইরানের একটি চুক্তি করা উচিত এবং তাঁর সহায়তাতেই তা সম্ভব হবে।

ট্রাম্পের মিশ্র বার্তা:

জি-৭ সম্মেলন থেকে ফেরার পথে ট্রাম্পের কিছু মন্তব্য উদ্বেগ বাড়ায়। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না এবং তেহরান থেকে সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া উচিত। যদিও পরে তিনি যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনে ফিরছেন না বলে জানান, বরং “এর চেয়ে আরও অনেক বড় কিছু” চান বলে মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প অবশ্য ইরানে ইসরায়েলি হামলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।

যুদ্ধ কি অনিবার্য?

ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলের হামলায় ইরানের নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থাপনার ভূপৃষ্ঠের উপরের অংশ ধ্বংস হয়েছে। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) মনে করছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ভূগর্ভস্থ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে ফোরদোর ভূগর্ভস্থ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রটি অক্ষত আছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরায়েল যদি ফোরদোর মতো ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা করতে চায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা প্রয়োজন হবে। কারণ, এই ধরনের হামলা চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় শক্তিশালী বোমা যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনো এই বোমা ইসরায়েলকে দেয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চিন্তুক প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের বারবারা স্লেভিন বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করার ইসরায়েলের লক্ষ্য পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা অপরিহার্য। ট্রাম্প বিজয়ীর পাশে থাকতে পছন্দ করেন, এবং বর্তমানে তিনি ইসরায়েলের জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন, যা ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের এক ধরনের মৌন সমর্থন বলে তিনি মনে করেন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বড় সংখ্যক বিমান এবং বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস নিমিটজ পাঠিয়েছে। আরও যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণাও দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইসরায়েলের হামলার প্রাথমিক সফলতার কারণে ট্রাম্প “বিজয়ের গর্বের” ভাগীদার হতে যুদ্ধে জড়াতে প্রলুব্ধ হতে পারেন। সেন্ট অ্যান্ড্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আলী আনসারি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সত্যিকারের হুমকিই ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে পারে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কিছু ছাড় দিলে ইরান তা সম্মানের সঙ্গেই মেনে নিতে পারে, কিন্তু ইসরায়েলের কাছে তা পারবে না।

3 साल सदस्य
मैं तय्यबुर रहमान हूँ। लिखना मेरी आदत नहीं, यह मेरी अभिव्यक्ति का माध्यम है। नाजिबुल डॉट कॉम पर मैं ऐसी सामग्री बनाता हूँ जो सिर्फ जानकारी नहीं देती, बल्कि सोच-विचार का आधार भी देती है।...

आपके लिए

Your comment will appear immediately after submission.

Leave a Comment